


সু-শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড।

সুশিক্ষা একটি জাতিকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করে। আমাদের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের দক্ষ, মানবিক এবং আদর্শ দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে বিজ্ঞানমনস্ক শিক্ষাদানের মাধ্যমে আমরা প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করছি।
প্রধান শিক্ষক
প্রধান শিক্ষক — পালপাড়া দায়েমউল্লা মেহেরুন্নেসা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে আমি সকল অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে এবং ক্যাম্পাসের অবকাঠামোগত উন্নয়নে পরিচালনা কমিটি অঙ্গীকারবদ্ধ। আপনাদের সবার সহযোগিতায় এই বিদ্যালয় একটি মডেল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।
সভাপতি
সভাপতি, পরিচালনা পর্ষদ — পালপাড়া দায়েমউল্লা মেহেরুন্নেসা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়
8
দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক
3
অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী
2
পরিচালনা পর্ষদ সদস্য
5
আধুনিক শ্রেণি ও ল্যাব কক্ষ
অভিজ্ঞ, দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকবৃন্দের সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনায় আমাদের শিক্ষাদান পরিচালিত হয়।
বিবরণSenior Teacher
BScBPEd
বিবরণAsst. Teacher
MSSBEd
বিবরণAsst. Teacher
MScBEd
বিবরণAsst. Teacher
BADLS
বিবরণAsst. Teacher
M.A.
বিবরণAsst. Teacher
Diploma in Agriculture
বিবরণAsst. Teacher
MSc
বিবরণAsst. Teacher
MBS BEd
বিদ্যালয়ের জাতীয় দিবস উদযাপন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত

পালপাড়া দায়েমউল্লা মেহেরুন্নেসা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় লাক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার অন্তর্গত একটি সুপ্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গের উদ্যোগে এ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ছেলে-মেয়েদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যেই বিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়। বিদ্যালয়ের নামকরণ করা হয়েছে এলাকার বিশিষ্ট দানশীল ব্যক্তি দায়েমউল্লা ও শিক্ষানুরাগী মহীয়সী নারী মেহেরুন্নেসা বেগমের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। প্রতিষ্ঠা ও বিকাশ প্রতিষ্ঠাকাল: বিদ্যালয়টি ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাতা: স্থানীয় সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতায় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। উন্নয়ন: সময়ের সাথে সাথে বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক স্তর থেকে বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়, যেখানে মানবিক, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য বিভাগ চালু করা হয়েছে। অবদান বিদ্যালয়টি স্থানীয় এলাকার শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। এখানে বহু শিক্ষার্থী লেখাপড়া শেষ করে উচ্চশিক্ষায় গিয়েছে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত থেকে সমাজে অবদান রাখছে। বর্তমান অবস্থা বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে আধুনিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে। ডিজিটাল লার্নিং, সহপাঠ কার্যক্রম, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আধুনিক শিক্ষা গ্রহণ করছে।

Guardian Member

ম্যানেজিং কমিটি